DBC News
খালেদার মুক্তি আন্দোলনে একক নয়, দলের সবার মতামত নেয়ার তাগিদ

খালেদার মুক্তি আন্দোলনে একক নয়, দলের সবার মতামত নেয়ার তাগিদ

ছক কষে সময় নষ্ট না করে খালেদা জিয়ার মুক্তিতে জোরালো ও কার্যকর কর্মসূচি দরকার বলে মনে করেন বিএনপির অনেক নেতা। একক সিদ্ধান্তের বদলে অবিলম্বে দল গুছিয়ে নির্বাহী কমিটির সভা করে আন্দোলনের পরিকল্পনার করার দাবিও তাদের। 

দুর্নীতি মামলায় সাজা পেয়ে ১৭ মাস ধরে কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে এবার চার সপ্তাহের ধারাবাহিক কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পরামর্শে গেলো ২২শে জুন ও সবশেষ ২৯শে জুন নীতিনির্ধারকদের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া চাপিয়ে দেয়া কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল হয়না বলে মনে করেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তম।

তিনি বলেন, 'আন্দোলন রাজপথ থেকেই করতে হবে। থানা, জেলা, উপজেলা বা তৃণমূলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করে বা তাদের মতামত না নিয়ে কোন আন্দোলন বাস্তবায়িত করা যায় না বলে আমি মনে করি। ব্যবসায়ে প্যাকেজ ডিল হয়, কিন্তু রাজনীতিতে প্যাকেজ ডিল হয় এমন কিছু আমার জানা নেই। বিএনপির এখন যে অবস্থা এতে আমার একটাই মন্তব্য, যায় যায় যাবে প্রাণ, হীরক রাজা ভগবান।'

নেতারা বলছেন, সবার মতামতের ভিত্তিতেই কর্মসূচিসহ দলীয় সব সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। তবে, কার্যকর আন্দোলনের আগে দল পুনর্গঠন বেশি জরুরি।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবর রহমান ইকবাল বলেন, 'প্রত্যেক এলাকায় যেসব পদ এখনো শূণ্য রয়েছে সেসব পদ যদি দায়িত্ববান কর্মীদের হাতে তুলে দেয়া হয়, তাহলেই আন্দোলন বেগবান হবে। এসব পদ পূরণ হলে যেকোন আন্দোলনেও আমরা সাড়া পাবো।' 

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, 'আমরা আর আপ-ডাউন অবস্থায় থাকতে চাই না, হয় এস্পার না হয় অস্পার। আমরা সরকারকে সময় বেঁধে দিব যে এতো তারিখের মধ্যে নেত্রীকে ছেড়ে দিতে হবে। তা না করলে আমরা চুড়ান্ত আন্দোলনে যাবো।'

২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারির পর থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে নানা কর্মসূচি দিলেও জোরদার হয়নি সেগুলো। তাই অযথা আন্দোলনের ছক কষে সময় নষ্ট না করে কার্যকর কিছু করার কথা বলছেন অনেকে।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, 'আন্দোলনের কোন প্যাকেজ হতে পারে তা আমি মনে করি না। আর দিনক্ষণ বলেও কোন আন্দোলন হয়না। ঈদের পর, পূজার পর, রোজার পরে আন্দোলন হবে, এগুলো আমি বিশ্বাস করি না।'

তবে রাজপথে ধারাবাহিক আন্দোলনই দলীয় প্রধানের মুক্তির উপায় বলে মনে করেন কেউ কেউ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, 'প্যাকেজ বলতে আমরা বুঝাতে চাচ্ছি আমরা এবার যে আন্দোলন শুরু করতে যাচ্ছি তা আর থামতে দিবো না, যেদিন পর্যন্ত না আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পায়। তিনি যদি আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি না পায়, তাহলে আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে মুক্তি করবো।'

আরও পড়ুন

ঈদের কারণে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে

ঈদের আগে রেমিটেন্স প্রবাহ কিছুটা বাড়লেও তাতে সরকারি প্রণোদনার কোনো প্রভাব নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, প্রণোদনা বিতরণ পদ্ধতি নির্ধারণ করতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।...

নকশা জালিয়াতি: এফ আর টাওয়ারের মালিক ফারুক গ্রেপ্তার

নকশা জালিয়াতির মামলায় এফ আর টাওয়ারের মালিক এস এম এইচ আই ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে দুদক। বনানী থেকে দুদকের উপ পরিচালক আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে একটি টিম দুপু...

'সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষক বিএনপি'

১৭ই আগস্টের সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষক ছিল বিএনপি, এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার বিকেলে, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দেশব...

জামায়াত বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে পরিস্থিতি বিবেচনায়: ফখরুল

দীর্ঘদিনের সঙ্গি জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ভাবছে বিএনপি। ডিবিসি নিউজের সঙ্গে আলাপকালে একথা জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগ...