DBC News
মোটরসাইকেল প্রস্তুত করে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে যাচ্ছে দেশ

মোটরসাইকেল প্রস্তুত করে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে যাচ্ছে দেশ

বাংলাদেশে মোটরসাইকেল তৈরির ক্ষেত্রে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে। আগে আমদানি নির্ভর হলেও বর্তমানে দ্রুতই পাল্টে যাচ্ছে দেশের মোটরবাইকের বাজার চিত্র।স্থানীয়ভাবে তৈরি মোটরবাইক রপ্তানির পাশাপাশি দেশীয় চাহিদাও মেটাবে পুরোটাই। বর্তমানে তিনটি প্রতিষ্ঠান মোটরবাইক তৈরি করছে, আরও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে শিগগিগিই কাজ শুরু করতে যাচ্ছে। প্রস্তুতকারকদের দাবি, দেশের মধ্যে ৫০০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি পেলে এবং আমদানি কমিয়ে দিলে এই শিল্পের বিকাশ হবে দ্রুতই।

মোটরসাইকেল মানেই গন্তব্যে পৌঁছাতে চলার স্বাধীনতা। তাই দিন দিন বাড়ছে মোটরবাইকের ব্যবহার। দেশে এখন নিবন্ধিত মোটর বাইক আছে ১৪ লাখের বেশি। বছরে নতুন মোটর সাইকেল বিক্রি হয় প্রায় ৪ লাখ। দুই বছর আগেও এই চাহিদা ছিল আড়াই লাখ।

মোটর বাইকের এই ঊর্ধ্বগামী বাজার ধরতে রানার, রোডমাস্টার, গ্রামীণ মটরস দেশেই তৈরি করছে মোটরবাইক। পাশাপাশি উৎপাদনে আসতে নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছে আরও কয়েকটা প্রতিষ্ঠান। ফলে চাহিদার পুরোটাই দেশের উৎপাদন সম্ভব।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অটোমোবাইল অ্যাসেম্বলার অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন এর চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, 'যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে আমরা যত বেশি উন্নতি করতে পারবো, ততোবেশি যন্ত্রাংশ স্থানীয় মার্কেট থেকে কিনতে পারবো এবং তখন এসব যন্ত্রাংশের দামও কমে আসবে।'

দেশের মোটরসাইকেল রপ্তানি হয় আগে থেকেই। সবশেষ ৫০০ সিসি পর্যন্ত মোটরবাইক রপ্তানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। যদিও দেশে ১৬৫ সিসির ওপর মোটরবাইক ব্যবহারের সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ অটোমোবাইল অ্যাসেম্বলার অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন এর চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, 'আগামীতে মোটরবাইক আমদানিকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। দুর্ঘটনা ১৫০সিসি দিয়ে হয়, ২৫০সিসি দিয়েও হতে পারে। সিসির সঙ্গে এটা সম্পর্কিত না।'

মোটরবাইক শিল্প উন্নয়ন নীতিমালায় রপ্তানির উদ্দেশ্যে মুলধনী যন্ত্রপাতি ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে কর সুবিধা আছে। আছে বন্ডেড ওয়্যার হাউজের সুবিধা। এই শিল্পের বিকাশে অর্থনীতিবিদরাও কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে সিপিডি'র গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, 'আমদানিকৃত মোটরসাইকেলের বাজারকে ১৬৫ সিসিতে সীমাবদ্ধ রেখে, দেশীয় উদ্যোক্তাদেরকে যদি দেশীয় বাজারে জন্য ২৫০ সিসির মোটরসাইকেল উৎপাদনের অনুমতি দেয়া হয়, তবে সেটা আমাদের উদ্যেক্তাদের জন্য একটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।'

নীতিমালা অনুসারে, ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচ লাখ এবং ২০২৭ সালের মধ্যে ১০ লাখ মোটরসাইকেল প্রস্তুত করা হবে। বর্তমান এই খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৫ লাখ মানুষের, যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৫ লাখে।

আরও পড়ুন

সংকট আর প্রতিকূলতায় জর্জরিত মঞ্চনাটক

নানা সংকট আর প্রতিকুলতায় ডুবে আছে দেশের নাট্যদলগুলো। নেই রিহার্সালের জায়গা, নেই পর্যাপ্ত মঞ্চ আর জীবিকার নিশ্চয়তা; তারপরও থিয়েটারকে ভালোবেসে এখনো নাট্যকর্মীরা স...

হজযাত্রায় বিমান ভাড়া ১০ হাজার টাকা কমেছে

এবার হজযাত্রায় বিমান ভাড়া ১০ হাজার টাকা কমেছে। এ বছর যাত্রীপ্রতি ভাড়া লাগবে ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা। সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং ধর্ম মন্...

বড় শিল্পখাতে ব্যাংকের নতুন ঋণ নীতিমালা

ঋণগ্রহীতার সক্ষমতা মূল্যায়নে ব্যাংকের দক্ষতা বাড়াতে ‘ইন্টারনাল ক্রেডিট রিস্ক রেটিং সিস্টেম' নামে নতুন নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বৃহস্পতিবার সকালে...

উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরাযুক্ত ফোনই চাহিদার শীর্ষে দেশের বাজারে

উচ্চ ক্ষমতার ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোনই এখন ক্রেতা চাহিদার শীর্ষে রয়েছে দেশের বাজারে। বেশি দামের বিদেশি ব্র্যান্ডের বিপরীতে তুলনামূলক কম মূল্যের ফোন ছেড়ে পাল্লা...