DBC News
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সন্ত্রাসবাদের হুমকি নেই

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সন্ত্রাসবাদের হুমকি নেই

এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিয়ে সন্ত্রাসবাদের কোনো হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক। বৃহষ্পতিবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্সটিটিউট অফ কনফ্লিক্ট, ল অ্যান্ড  ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (আইক্ল্যাডস) -এর উদ্যোগে ‘রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: রেসপন্স অব বাংলাদেশ এন্ড ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি” শীর্ষক এক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা রোহিঙ্গা সংকট ও এর সমাধানের নানা দিক তুলে ধরেন।

তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রি. জে. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিষ্টি কথায় কাজ হবে না। বাংলাদেশ সরকার এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক কমিউনিটিকে এক্ষেত্রে এখন শক্ত অবস্থান নেয়া উচিত।

ডিবিসি নিউজের সিইও মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথম সরকার ও গণমাধ্যম এক সাথে কাজ করছে। বাংলাদেশ ও বিশ্ব গণমাধ্যমের জন্য প্রয়োজন সঠিক তথ্য। সকল সম্মান্নিত অতিথির প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা আপনাদের গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের পাঠান, যাতে রোহিঙ্গা বিষয়ক সঠিক তথ্যটি তুলে আনা যায়।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বিশ্ব বাংলাদেশকে সহায়তা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

ইউনাইটেড ন্যাশন এর বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সাপ্পো জানান, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে যারা রয়েছেন তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বকে এক সাথে হয়ে কাজ করতে হবে।

কানাডার রাষ্ট্রদূত বেনওয়া প্রফটেন্ট জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যারা আছেন তাদের পুন:বার্সন যাতে নিয়ম অনুযায়ি করে মিয়ানমার, সে বিষয়ে ধৈর্য্য সহকারে কাজ করতে হবে পুরো বিশ্বকেই। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও ভাবতে হবে।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ডেভরিম অজতুর্ক বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বরাবরই তুরস্ক বাংলাদেশের পাশে ছিলো, আছে, থাকবে। এটি শুধু বাংলাদেশেরই সমস্যা তা নয়, পুরো বিশ্বই এখন রোহিঙ্গা বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক জানান, এখন পর্যন্ত রোহঙ্গাদের নিয়ে সন্ত্রাসবাদের কোন হুমকি নেই। তবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন পড়েছে এবং বাংলাদেশ তাই করছে।

এ সময় তিনি জানান, প্রতিবেশি রাষ্ট্রের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভব বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।