DBC News
ট্রাম্পকে চিঠি পাঠালেন উন

ট্রাম্পকে চিঠি পাঠালেন উন

দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিঠি পাঠিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্যান্ডার্স বলেন, কিম জং উনের কাছ থেকে চিঠি পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এটা খুবই উষ্ণ, খুবই ইতিবাচক চিঠি।  কিমের অনুমতি ছাড়া পুরো চিঠি প্রকাশের কোনো পরিকল্পনাও হোয়াইট হাউজের নেই বলেও জানান তিনি। 

স্যান্ডার্স বলেন, উভয় নেতার মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকের ব্যাপারে ইতোমধ্যেই আলোচনা হয়েছে। তবে ঠিক কবে এবং কোথায় দ্বিতীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে সে ব্যাপারে্কিএখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্যান্ডার্স বলেন, 'প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পিয়ংইয়ং এর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।'

এছাড়া, সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ায় হয়ে যাওয়া সামরিক প্যারেডে পারমাণবিক অস্ত্র প্রদর্শন না করাকে ট্রাম্পের রাষ্ট্রনীতির সফলতার প্রমাণ বলেও মন্তব্য করেন হোয়াইট হাউজের এই মুখপাত্র।

তবে ঠিক কবে নাগাদ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে তা সম্পর্কে কিছু জানাননি সারাহ।

এদিকে, সামরিক প্যারেডে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রদর্শন না করায় কিম জং উনকে এক টুইটার বার্তায় ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প। এর আগে, চলতি বছরের জুনে সিঙ্গাপুরের এক ঐতিহাসিক বৈঠকে কোরীয় দ্বীপকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে একসাথে কাজ করার জন্য এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প ও কিম।

প্রসং্গত, চলতি বছরের ১২ জুন,  সিঙ্গাপুরে এক ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হন ট্রাম্প ও কিম । তবে ওই বৈঠকের পর, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখা দেয়।

এ পর্যায়ে গেল মাসের শেষদিকে হঠাৎ করেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র নির্ধারিত উত্তর কোরিয়া সফর বাতিল করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং চীন ওয়াশিংটন-পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে হস্তক্ষেপ করছে এমন অভিযোগ তুলে ওই বৈঠকটি বাতিল করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

কিন্তু রোববার থেকে ভিন্ন সুরে কথা বলতে শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়ার ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কুচকাওয়াজে পারমাণবিক মিসাইল নিয়ে প্যারেড না করায় এক টুইট বার্তায় কিমকে ধন্যবাদ দিয়েছেন ট্রাম্প। 

এ বিষয়টিকে ‘একটি বড় ও ইতিবাচক অবস্থান’ বলে বর্ণনা লিখেছেন, ট্রাম্প লিখেছেন  ‘একে অপরকে পছন্দ করেন এমন ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে ভালো আলোচনার বিকল্প আর কিছুই নেই।’