DBC News
যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্স

যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্স

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে বৃহস্পতিবার আঘাত হানতে পারে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্স। ঝড়টি ২২৫ কিলোমিটার  বেগে ধেয়ে আসছে। 

ইতোমধ্যেই মধ্যে এটিকে ক্যাটেগরি ঘূর্ণিঝড়ের তকমা দেয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এটিকে ক্যাটেগরি ৫ অর্থাৎ সর্বোচ্চ ক্যাটেগরিতে মাপা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ সময় যত গড়াচ্ছে ততই শক্তিশালী হচ্ছে এ ঘূর্ণিঝড়।   

এদিকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় উপকূলের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নর।

এছাড়া দেশটির উত্তর ক্যারোলিনা ও ভার্জিনিয়া রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শক্তিশালী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্স ঘন্টায় ২২৫ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসার সাথে সাথে ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। 

দেশটির ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় এলাকায় বিপজ্জনক মাত্রায় বৃষ্টি আর বন্যা ডেকে আনতে পারে। গত কয়েক দশকের মধ্যে ফ্লোরেন্সই সবচেয়ে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে ঘূর্ণিঝড় হুগোর আঘাতে ওই এলাকায় অন্তত ৪৯ জনের প্রাণহানী হয়।

সর্বশেষ খবরে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্স বারমুডা থেকে ৫২৫ মাইল দূরে  অবস্থান করছিল।  মঙ্গলবার বারমুডা এবং বৃহস্পতিবার  বাহামাস পেরোনোর কথা।

এদিকে হারিকেন ফ্লোরেন্সের কারণে আগামী শুক্রবার মিসিসিপ্পির পূর্বনির্ধারিত র‌্যালি বাতিল করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  এরপর বিধ্বস্ত হতে পারে এমন অঞ্চলের মানুষকে প্রশাসনের কথা শুনে চলা ফেরার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 

এর আগে ২০০৫ সালে হ্যারিকেন ক্যাটরিনার আছড়ে পড়ায় ১৮৩৩ জনের প্রাণ গিয়েছিল। এই ঘূর্ণিঝড়ও যেভাবে গতি বাড়াচ্ছে তাতে ফের একবার আমেরিকার সমস্যা বাড়তে চলেছে।