DBC News
রাজধানীর রাস্তায় অাসছে পরিবর্তন

রাজধানীর রাস্তায় অাসছে পরিবর্তন

ট্রাফিক সচেতনতা মাসের প্রথম পাঁচ দিনে রাজধানীর সড়কে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। যদিও নানান সীমাবদ্ধতায় সবক্ষেত্রে এখনও সফলতা আসেনি। তবে কর্তৃপক্ষের নজরদারি এবং জনগণের সচেতনতায় ঢাকার রাস্তায় শৃঙ্খলা আসবে বলে আশা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ডিএমপি।

সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র কয়েক গজ সামনে থামার নির্ধারিত জায়গা হলেও তার আগেই বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা হচ্ছে। যাত্রীরাও অভিযোগ করেছেন নির্ধারিত স্থানে থামছে না গণপরিবহণ। 

সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে, ট্রাফিক পুলিশ বলছে, শতভাগ সাফল্যের জন্য নগরবাসীর সচেতনতা দরকার। ডিএমপির ট্রাফিক-দক্ষিণ এর যুগ্ম কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, 'শতভাগ সাফল্য আসেনি। তবে সবার সহযোগিতায় ঢাকা শহরে অনেক পরিবর্তন এসেছে। আরও আসবে।'

ট্রাফিক সচেতনতা মাসের প্রথম পাঁচ দিনে বেশ কিছু সাফল্য চোখে পড়ার মতো। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে মোটরসাইকেল আরোহীদের মধ্যে। এছাড়া, কিছুটা হলেও শৃঙ্খলা ফিরেছে গণপরিবহণে।  

বিআরটিএ'র নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সারাহ সাদিয়া তাজনীন বলেন, 'আমরা দেখেছি প্রায় সবগুলো যানবাহন ঠিক আছে। তবে হঠাৎ সমস্যা হতে পারে, এসব বিষয়ে আমরা কথা বলছি, জরিমানা করছি।' 

তবে, ফুটপাত ও ফুটওভারব্রিজ ব্যবহারে পথচারীদের অনীহা এখনও কমেনি বলে জানিয়েছেন স্কাউট সদস্যরা। ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও জনগণকে সচেতন করতে ৫ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ট্রাফিক সচেতনতা মাস।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, জনগণের সহযোগিতা ও সচেতনতা ছাড়া শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে সড়কে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব নয়। সোমবার সকালে নগর ভবনে এক সভায় তিনি একথা বলেন।

তিনি  বলেন,' রাজধানীতে যানজট সহনীয় পর্যায়ে আনাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।'

এ সময় রাস্তায় শৃঙ্খলা আনতে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র। মেয়র জানান, জেব্রা ক্রসিং, ট্রাফিক সিগনাল উন্নতকরণের কাজ, বিশেষ অটো সিগনালের বাস্তবায়নে একটু সময় লাগবে।  এছাড়া সড়কে চলাচলের উপযোগী নতুন নিরাপদ বাস নামানোর প্রক্রিয়া হাতে নেয়া হয়েছে। তবে, ব্যক্তিগত গাড়ি কমানোর কোনো উদ্যোগ আপাতত তাদের নেই বলে জানান তিনি।