DBC News
জাতীয় নির্বাচন: সিলেট-৩ আসনের মাঠ সরগরম

জাতীয় নির্বাচন: সিলেট-৩ আসনের মাঠ সরগরম

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সিলেট-৩ আসনের মাঠ সরগরম করে রেখেছেন বড় দুই দলের প্রার্থী সমর্থকরা। তবে আগের নির্বাচনগুলোতে ছাড় দিলেও এবার বড় দলগুলোর কাছে এ আসন দাবি করে জোরেশোরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে জোট-মহাজোটের শরীক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে সিলেট-৩ আসন। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত টানা তিন সংসদ নির্বাচনে আসনটি ধরে রেখেছিল জাতীয় পার্টি। আর বাকি তিনবার বিজয়ী হন ধানের শীষের প্রার্থী। আসনটি পুনরুদ্ধারে বিএনপির সামনে তাই চ্যালেঞ্জটা একটু বেশিই।

সিলেট বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শফি আহমেদ চৌধুরী বলেন, 'কে নমিনেশন পাবে এগুলা জনগণই দেখবে।'

সিলেট কেন্দ্রীয় যুবদল সাবেক সহ-সভাপতি আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বলেন, 'মনোনয়নের পূর্বে আমি আমার কাজগুলো করে যাচ্ছি, আমি আশা রাখি আমাকে মনোনয়ন দেয়া হবে।'

বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্যের পাশাপাশি আরও অনেকেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান।

সিলেট সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস বলেন, ‘প্রত্যাকটা আসনেই একাধিক প্রার্থী হবেন সংগত কারণেই। যাকেই মনোনয়ন দেয়া হোক আমাদের তার পক্ষেই কাজ করতে হবে।‘

সিলেটের যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘আমি মানুষের জন্য কাজ করেছি, বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে এসেছি। যদি আমাকে নোমিনেশন দেয়া হয় তবে এই আসন উপহার দেবো।‘

গত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ। তবে এবার ছাড় দিতে নারাজ মহাজোটের শরীক জাতীয় পার্টি। ২০ দলীয় জোটের শরীক খেলাফত মজলিসের প্রার্থীও রয়েছেন মাঠে।

সিলেট জেলা জাতীয় পার্টি সদস্য সচিব মো. উসমান আলী বলেন, 'জাতীয় পার্টি আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। ভোটের মাঠে লাখ দেরেক ভোট পাওয়া আমার কোনো ব্যাপার না।'

সিলেট জেলা খেলাফত মজলিস যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন বলেন, ‘মাঠে কাজ করে যাচ্ছি, জনগণের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত।'

সম্প্রতি সীমানা পুনর্নিধারিত হয়ে দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জের সাথে যোগ হয়েছে বালাগঞ্জ উপজেলা। ভোটের হিসেব নিকেশেও তাই নতুন করে ভাবতে হচ্ছে প্রার্থীদের।