DBC News
বেহাল সড়কে পর্যটক হারাচ্ছে কুয়াকাটা

বেহাল সড়কে পর্যটক হারাচ্ছে কুয়াকাটা

পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাখিমারা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার সড়কে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। আর ভাঙ্গা সড়কের কারণে পর্যটক হারাচ্ছে কুয়াকাটা। বেহাল সড়কের কারনে পর্যটন ব্যবসায় ধ্বস নামবে বলে আশংকা স্থানীদের।

পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটায় যাবার একমাত্র সড়কটি ভেঙ্গে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আমতলী থেকে কলাপাড়া পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজ হলেও কলাপাড়া থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কের ১১ কিলোমিটার রাস্তার কাজ বন্ধ রয়েছে।  এতে, চলতি বর্ষা মৌসুমে এ সড়ক পরিনত হয় মরণফাঁদে।

ভাঙ্গা সড়কের কারণে দিন দিন কুয়াকাটায় কমছে পর্যটক বলে জানান কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা।

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলে, এরিমধ্যে সড়কের উভয় পাশের অবৈধস্থাপনা অপসারণসহ আমতলী থেকে কলাপাড়া অংশে সংস্কার কাজ চলছে। তবে, কলাপাড়া থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটি নিয়ে মামলা থাকায় এ অংশে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

জেলার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি সংস্কার হলে পায়রা বন্দর, কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন আসবে এমনটাই মনে করেন এলাকার মানুষ।

এদিকে, রাজধানী ঢাকার সাথে সড়ক পথে চাঁদপুরের দূরত্ব কমাতে তৈরি হচ্ছে মতলব সেতু। সেতুটি চালু হলে মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে পৌঁছানো সম্ভব হবে। কিন্তু গত এক বছরেও মূল সেতুসহ সংযোগ সড়কের বিশ ভাগ কাজ এখনো শেষ হয়নি।

রাজধানীর সাথে দ্রুত যোগাযোগের ক্ষেত্রে নদী পারাপারের ঝামেলা এড়াতে ২০১৫ সালে শুরু হয় মতলব সেতুর নির্মাণ কাজ। মতলব ফেরিঘাটের অদূরে তিনশ পাঁচ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ৩০শে জুন। কিন্তু কাজ শেষ না হওয়ায় ভোগান্তিও শেষ হচ্ছে না।

সেতুটি চালু হলে শুধু চাঁদপুরবাসী নয়, আশপাশের জেলাগুলোর লোকজনও উপকৃত হবে। এদিকে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার কথা জানান চাঁদপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।