DBC News
খালেদা জিয়াকে হত্যার প্রচেষ্টা সরকারের

খালেদা জিয়াকে হত্যার প্রচেষ্টা সরকারের

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলে অভিযোগ করে বলেছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে তাকে হত্যার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার 

দুর্নীতির দায়ে দন্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির এই সংবাদ সম্মেলেনে খালেদার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ জানান বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গতকাল দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, দেশনেত্রী অত্যন্ত অসুস্থ। তাঁর বাঁ হাত ও বাঁ পা প্রায় অবশ হয়ে গেছে। অসহ্য ব্যথা অনুভব করছেন তিনি। একই কথা তিনি বলেছেন ৫ তারিখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত বেআইনি আদালতকক্ষে। তাঁর কোনো চিকিৎসা হচ্ছে না। আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা সাজানো মামলায় শাস্তি দিয়ে কারাগারে বেআইনিভাবে আটক রেখে তাঁকে হত্যা করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।’

এ সময় বিএনপি নেত্রী মুক্ত হলে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হবে বুঝতে পেরেই সরকারের এমন পরিকল্পনা বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 

বিএনপির মহাসচিব আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে রাজনীতি এবং আসন্ন নির্বাচন থেকে দূরে রেখে একতরফা নির্বাচনে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করবার নীলনকশা নিয়েই এগোচ্ছে সরকার। বর্তমান সরকার এতটাই নিচে নেমে গেছে যে একজন মারাত্মকভাবে অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে  চিকিৎসার সুযোগ পর্যন্ত দিচ্ছে না। অথচ চিকিৎসা পাওয়া তাঁর সাংবিধানিক অধিকার।’

সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই অবৈধ সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। এক ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারিতায় দেশ চলছে। বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। জনগণ এদের পরিবর্তন চায়। ইতিহাসের কাঠগড়ায় আপনাদের দাঁড়াতে হবে। সকল দায়দায়িত্ব আপনাদের ওপরই বর্তাবে।’

এসময় কারা অভ্যন্তরে স্থাপিত আদালত নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

এছাড়া খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তার চিকিৎসার অনুমতির জন্য বিএনপি দেখা করবে বলেও জানান নেতারা।