DBC News
'সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ'

'সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ'

সংবিধান অনুযায়ী অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। বুধবার ফোরাম অব ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া, ফেমবোসা এর নবম সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সার্কভুক্ত আটটি দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারদের সংগঠন- দ্য ফোরাম অব ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিজ অব সাউথ এশিয়া, ফেমবোসা'র নবম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার সকালে সম্মেলন এর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরি বলেন, 'সামনে একাদশ জাতীয় নির্বাচন। শক্তিশালী গণতন্ত্র চর্চায় আরপিও ও সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন করতে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন দায়বদ্ধ।'

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা তার বক্তব্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো জাতীয় নির্বাচনেও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে স্মার্ট কার্ড এবং ছবিসহ ভোটার তালিকা আমাদের সহায়তা করবে। স্থানীয় নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহার করে আমরা ইতিবাচক ফল পেয়েছি। জাতীয় নির্বাচনেও ইভিএম ব্যবহারের প্রত্যাশা আছে আমাদের। ’

সংবিধান অনুযায়ী অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও জানান তিনি। 

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা এবং বিচারপতি আব্দুর রউফ। এ সময় সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া কমিশনের একার পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে জানান সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসা এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা জরুরি বলে মনে করছেন তারা। তাছাড়া, ভোটারদের আস্থা ছাড়া বড় পরিসরে ইভিএম ব্যবহার ঠিক হবে না বলেও মত তাদের। তারা মনে করেন, জাতীয় নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহার করা যেতে পারে।

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা বলেন ‘নির্বাচনের কাজটা কিন্তু নির্বাচন কমিশনের একার কাজ না। এখানে অনেকগুলি পক্ষ আছে। সরকার এক পক্ষ, ভোটাররা আরেক পক্ষ, রাজনৈতিক দল আরেকটা পক্ষ। সব পক্ষ যদি তাদের নিয়মমত,  খেলাটা না খেলে শুধু নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইভিএম এর মধ্যে সুবিধা অসুবিধা থাকতেই পারে। তাই এর মধ্যে আরও কি পরিবর্তন আনা যায় এবং ধীরে ধীরে তার পরিবর্তন এনে যখন সমস্ত রাজনৈতিক দল বুঝতে পারবে যে এটা ঠিক আছে, তখনই এটি ব্যবহার করা উচিত।’

আরেক সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ জানান,‘অনাস্থা দিয়ে নির্বাচন হবে না। সব কিছু মিলিয়ে আমাদের একটা জিনিস মেনে নিতে হবে, গণতন্ত্র ছাড়া আমাদের কোন গতি নাই। নির্বাচন কমিশন শুধু লাইনটা ঠিক রাখবে এবং সেইভাবে অগ্রসর হতে হবে।’

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব বলেও জানান তারা।

আরও পড়ুন

‘হাসিনা, এ ডটারস টেল’, মুক্তি শুক্রবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন নিয়ে নির্মিত হয়েছে ডকু ড্রামা ‘হাসিনা, এ ডটারস টেল’। ১৬ই নভেম্বর তথ্যচিত্রটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের চারটি সিনেমা হলে মুক্...

প্রশাসন ও ইকোনমিক ক্যাডার একীভূত করে গেজেট

প্রশাসন ক্যাডার ও ইকোনমিক ক্যাডারকে একীভূত করে গেজেট প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন জারি করে।  প্রজ্ঞাপন...

যুক্তফ্রন্টের মনোনয়ন ফর্ম বিক্রি শুরু

বিকল্পধারা নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের মনোনয়ন ফর্ম বিক্রি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে, মধ্যবাড্ডা লিংক রোডের বিকল্পধারার নতুন নির্বাচনী কার্যালয়ে এই কার্যকর্মের উ...

জাতীয় পার্টির ৩য় দিনের মনোনয়নপত্র বিক্রি

তৃতীয় দিনের মতো মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে জাতীয় পার্টি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে বনানীতে ভিড় করেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।তৃতীয় দিন পর্যন্ত পার্টি অফ...