DBC News
পরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে ডিএমপি ও সিএমপির কার্যক্রম শুরু

পরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে ডিএমপি ও সিএমপির কার্যক্রম শুরু

পরিবহণে শৃঙ্খলা রক্ষায় নেয়া বেশ কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া এক সংবাদ সম্মেলনে সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে ডিএমপির এই তৎপরতা থাকবে বলে জানান। জনসচেতনতায় এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় বুধবার সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ, ভ্রাম্যমান আদালত, রোভার স্কাউট, বিএনসিসি সহ বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের তৎপরতা চোখে পড়ে।

পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল নিতে যাওয়া বাইকারদের সবাইকে দেখা গেছে হেলমেট পরিহিত অবস্থায়। এছাড়া প্রধান সড়কগুলোতে কোনো হিউম্যান হলার বা লেগুনা চলতে দেখা যায়নি।

এতে বিপাকে পড়েছেন এগুলোর ওপর নির্ভরশীল যাত্রীরা। তবে পরিবহণ চলাচলে শৃঙ্খলা থাকলে ও জনসচেতনতা বাড়লে দুর্ঘটনা অনেক কমে আসবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট সবাই। 

এদিকে, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চট্টগ্রামে আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে ট্রাফিক সপ্তাহ। মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। 

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ট্রাফিকের উপ-কমিশনার হারুনুর রশীদ জানান, সকালে নগরীর নিউমার্কেট এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু হয়। এ সময় ফিটনেস ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে পথচারী, চালক ও হেলপারদের সচেতন করার পাশাপাশি প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ করা হবে বলেও জানান তিনি।

বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীর ৫টি পয়েন্টে সিএমপি’র সচেতনতা মূলক প্রচারণা ও মোটন যান আইন প্রয়োগ করা হয়। নগরীর নিউ মার্কেট, টাইগারপাস ও বাদামতলী মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম চালানো হয়।

এ বিষয়ে এডিসি ট্রাফিক ছত্রধর ত্রিপুরা বলেন, গণ পরিবহণে শৃংখলা আনয়ন ও নিরাপদ সড়কের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। নিয়মিত চেকপোস্ট বসিয়ে মোটর আইন প্রয়োগে আগের চেয়ে কঠোর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ চলছে, তাই নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় সমূহে জনসাধারণকে এবং পরিবহন শ্রমিকদের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আমরা ব্যাপক প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ট্রাফিক আইন মেনে যান গুলোকে চলাচলের নির্দেশনা প্রদান, জেব্রা ক্রসিং দিয়ে সড়ক পারাপারে অভ্যস্ত করণ, নির্দিষ্ট স্থানে বাসে উঠা –নামা করার ক্ষেত্রে জোর দেয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, সকাল থেকে নগরীর বহদ্দারহাট ও চকবাজার এলাকায় ফিটনেস ও লাইসেন্সবিহীন যানবহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আবার 'নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ ভবিষৎ' এই স্লোগানে সামনে রেখে রংপুরে চলছে পুলিশের নো হেলমেট নো পেট্রোল ক্যাম্পেইন। আজ বুধবার সকালে নগরীর আর কে রোড থেকে ক্যাম্পেইন শুরু করে জেলা পুলিশ। এ সময় যারা হেলমেট পরে মোটর সাইকেল চালায়, তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পাশাপাশি যারা হেলমেট ব্যবহার করেননি, তাদের হেলমেট ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে তৃতীয় দিনের মতো চালানো হয়েছে পুলিশি অভিযান। একই সাথে পেট্রল পাম্পগুলোয় জন-সচেতনতা বাড়াতে চালানো হচ্ছে প্রচারণা।'