DBC News
'ড্রিম লাইনার আকাশ বীণা'র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

'ড্রিম লাইনার আকাশ বীণা'র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন বিমান বোয়িং ৭৮৭ ড্রিম লাইনার আকাশবীণার শুভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আগামী শতাব্দীতে বাংলাদেশকে কিভাবে গড়ে তুলবো, সেই পরিকল্পনা এখন থেকেই নেয়া হচ্ছে।

বুধবার বেলা পৌনে একটার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘আকাশবীণা’র উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানটি প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট নিয়ে আজই ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে যে উন্নয়ন করা যায়, সেটা এখন প্রমাণিত। ড্রিমলাইনারের ফ্লাইট পরিচালনার সময় নিরাপত্তার বিষয়টিতে জোর দেবার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, পর্যাক্রমে সবগুলো এয়ারপোর্টের আধুনিকায়ন করা হবে। নভেম্বর মাসে আরেকটা ড্রিমলাইনার আসবে। 

এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই দেশে পরিবর্তন এসেছে। 

 

                                                                               

তিনি আরও বলেন, 'নির্বাচনে জনগণ যেন স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে সেটা সুনিশ্চিত করেছে সরকার। যদি একটা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকে তাহলে সেদেশ উন্নত, সমৃদ্ধ হয় এবং উন্নয়নেরর ধারাবাহিকতা যে অব্যাহত থাকে তা আজ প্রমাণিত।'

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে এবং দেশ যেন পিছিয়ে না যায় সেজন্য ২১০০ সাল পর্যন্ত ডেলটা পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখে ভোট দিয়েছে, তাদের সম্মান রক্ষা করে এলাকার উন্নয়ন করবেন। সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। কিন্তু অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এসব হলে অপরাধী যে দলের হোক কোন ছাড় পাবে না।'

এদিকে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে রাজশাহী সিটির এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী শপথ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

এ সময় দুই সিটির নবনির্বাচিত কাউন্সিলররাও শপথ গ্রহণ করেন। কাউন্সিলরদের শপথ করান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। আপনারা যে দলেরই হোন না কেন এলাকার ও জনগণের উন্নয়নই হবে আপনাদের কর্তব্য। আপনারা যে দলেরই হোন না কেন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সবসময় জনগণের পাশে থাকবেন।

এ সময় সরকার প্রধান হিসেবে তাদের সবরকমের সহায়তারও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।