DBC News
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজরা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই লিড নেয় বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরুতেই ভুটানের জালে আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। যার ফলশ্রুতিতে কর্নার পায় বাংলাদেশ। ওয়ালি ফয়সাল কর্নার কিক নেয়ার সময় বক্সের মধ্যে আতিকুর রহমান ফাহাদকে ফাউল করে বসেন ভুটানের এক ডিফেন্ডার। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান সঙ্গে সঙ্গে। স্পট কিক নিতে আসেন তপু বর্মন। তার পেনাল্টি কিকে করা গোলেই এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ভুটানের উপর আধিপত্য বিস্তার করেই খেলছে জামাল ভুইয়ারা। ২৪ মিনিটে ম্যাচে ফেরার সুযোগ হাতছাড়া করে ভুটান। প্রথমার্ধে আর কেউ গোল করতে পারেনি। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও গোল। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে গোল করেন বাংলাদেশের মাহবুবুর রহমান সুফিল। ডান দিক থেকে ভেসে আসে দুর্দান্ত একটি ক্রস। চলন্ত ক্রসকেই দুর্দান্ত ভলিতে ভুটানের জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। পূর্ণ তিন পয়েন্ট দিয়েই আসর শুরু করলো বাংলাদেশ।

এদিকে, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শুভ সূচনা করেছে পাকিস্তান। উদ্বোধনী ম্যাচে নেপালকে হারিয়েছে ২-১ গোলে।

ম্যাচের শুরু থেকে বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না নেপাল। ২৩তম মিনিটে প্রথম বলার মতো সুযোগ পায় পাকিস্তান। কিন্তু মহসিন আলির থ্রো ইনের পর ছয় গজ বক্সে বল পেয়েও তালগোল পাকিয়ে ফেলেন ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ আলি।

৩৫তম মিনিটে সফল স্পট কিকে পাকিস্তানকে এগিয়ে নেন হাসান নাভিদ বশির। ডি-বক্সের মধ্যে মুহাম্মদ রিয়াজকে বিরাজ মহারাজন ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৪০তম মিনিটে কর্নারে সুমন আরিয়ালের হেড ফিরিয়ে পাকিস্তানের ত্রাতা গোলরক্ষক ইউসুফ ইজাজ বাট।

দ্বিতীয়ার্ধেও বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকে নেপাল, কিন্তু দলটির ফরোয়ার্ডরা পারছিল না পাকিস্তানের রক্ষণ ভাঙতে। উল্টো ৭৫তম মিনিটে ক্রসবারের কল্যাণে বেঁচে যায় দলটি। প্রতি-আক্রমণ থেকে বল পেয়ে তিন ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে একাই ছুটছিলেন সাদউল্লাহ। বদলি এই ফরোয়ার্ডের ৩৫ গজ দূর থেকে নেয়া শট গোলরক্ষকের গ্লাভসকে ফাঁকি দিলেও ক্রসবারে লেগে ফেরে।

৮২তম মিনিটে সমতার স্বস্তি ফেরে নেপাল দলে। সুজল শ্রেষ্ঠার কর্ণারে নিরঞ্জন খাদকার হেডের পর বিমল ঘারতি মাগারের বাঁ পায়ের প্লেসিং শটে পরাস্ত হন গোলরক্ষক। পাঁচ মিনিট পর পাকিস্তানের মোহাম্মহ আলির ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া শট সোজা গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমে যায়।

শেষ দিকে গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় এগিয়ে যেতে পারেনি নেপাল। সুনিল বালের শট ফেরানোর পর সুজলের ফিরতি শটও ফিস্ট করে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বিপদমুক্ত করেন বাট। যোগ করা সময়ের দারুণ গোলে জয় নিশ্চিত করে নেয় পাকিস্তান। বাঁ দিক থেকে মোহাম্মদ আদিলের বাড়ানো বল হেড করে আলিকে বাড়ান সাদউল্লাহ, গোলমুখ থেকে হেডেই লক্ষ্যভেদ করেন আলি।