DBC News
খালেদা জিয়ার মামলার শুনানি হবে কারাগারে; প্রজ্ঞাপন জারি

খালেদা জিয়ার মামলার শুনানি হবে কারাগারে; প্রজ্ঞাপন জারি

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার এখন অনুষ্ঠিত হবে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় করাগারে। এ বিষয়ে আজ আইন মন্ত্রনালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘নিরাপত্তার কারণে’ এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বকশীবাজার এলাকার সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার ও সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসংলগ্ন মাঠে নির্মিত এলাকাটি জনাকীর্ণ থাকে। সে জন্য নিরাপত্তাজনিত কারণে বিশেষ জজ আদালত-৫ নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এর প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

এই মামলার আসামি বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে এই কারাগারে বন্দী আছেন। তিনি এ মামলায় নির্ধারিত তারিখে হাজিরা না দেয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ এ কথা জানিয়েছেন এ মামলার প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল।

মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘আমরা বলেছি যে, বেগম খালেদা জিয়া যেখানে আছেন, সেখানেই আদালত বসানো প্রয়োজন। যে কোন সময়েই গেজেট হওয়ার সম্ভাবনা আছে। গেজেট সাপেক্ষে বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিচারের কার্যক্রম আগামীকাল থেকে আবারও শুরু হবে। আমরা আশা করছি জেলখানার অভ্যন্তরে কোর্টের মাধ্যমে মাননীয় আদালত এবং আপনাদের উপস্থিতিতেই এ মামলার নিস্পন্ন হবে।’

কারাগারেরের ভেতর বিচার অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, 'খালেদা জিয়ার বিচার কারাগারের ভেতর হবে, তাঁরা এমন খবর জানেন না। কারাগারের ভেতর আদালত করা আইনের পরিপন্থী, এটা হতে পারে না।'

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, দুদক। মামলার অপর আসামিরা হলেন হারিছ চৌধুরী, জিয়াউল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম খান।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জামিন দিয়েছিলেন আদালত। গত ৭ই আগস্ট মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তাকে আদালতে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ। ওই সময় খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন বহাল রাখেন।