DBC News
ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যকে হাইকোর্টের নেটিশ

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যকে হাইকোর্টের নেটিশ

হাইকোর্টের নির্দেশনা সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনের জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামানসহ তিনজনকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। অন্য দুইজন হলেন, প্রক্টর ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানি ও ট্রেজারার ড. কামাল উদ্দিন।

মঙ্গলবার ডাকযোগে এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, আগামী ৭ দিনের মধ্যে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে উক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে হাইকার্টে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৭ই জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ছয় মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ আদেশ বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়। এছাড়া ডাকসু নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন আদালত।

ডাকসু নির্বাচনে পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে ২০১২ সালের ১১ই মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিশ দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নোটিশের কোন জবাব না দেয়ায় ওই বছরই ২৫ শিক্ষার্থীর পক্ষে রিট আবেদন করা হয়।

ওই রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের ২৭শে মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ডাকসু নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। পরবর্তী তিন মাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে নিতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের পর ডাকসু ভেঙে দেয়া হয়।

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবার পরের বছরই প্রতিষ্ঠিত হয় ডাকসু। প্রতিষ্ঠিত হবার পর প্রথমদিকে পরোক্ষ নির্বাচন হলেও, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ডাকসু নির্বাচনে সরাসরি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ডাকসু বিধান অনুযায়ী, প্রতিবছর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। ১৯৯০ সালের ৬ই জুলাই ডাকসুর সবশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষ সেই নির্বাচনে ছাত্রদল থেকে আমানউল্লাহ আমান ভিপি এবং খায়রুল কবির জিএস নির্বাচিত হন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনের আর কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

ভাষা আন্দলোন, শিক্ষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ডাকসু নেতারা ছিলেন সামনের কাতারে। স্বাধীন বাংলাদেশেও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাদের ভূমিকা ছিলো গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন

এ পর্যন্ত ৩৭ জনের পরিচয় শনাক্ত

রাজধানীর চকবাজারে আগুনে দগ্ধ হয়ে নিহতদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩৭ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মৃতদের পরিচয় শ...

'বার্ন ইউনিটে ভর্তি ৯ জনের অবস্থা আশংকাজনক'

পুরান ঢাকার চকবাজারে আগুনে দগ্ধদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশংকাজনক। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি সবার অবস্থা গুরুতর। তাদের প্রায় সবারই শ্বাসনা...

ডাকসু'র মনোনয়ন বিতরণ চলছে

দ্বিতীয় দিনের মত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিতরণ চলছে। সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হল থেকে...

হারিয়ে যাচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষা

প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা না থাকায় জয়পুরহাটে হারিয়ে যাচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষা।  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সাদ্রী ভাষার বই বিনামূল্যে দেয়া...