DBC News
'সবার সমর্থন পেলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে'

'সবার সমর্থন পেলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে'

সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ, আইন ও রাজনৈতিক দলের সমর্থনের ওপর সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, কে এম নুরুল হুদা। তবে কেবল ২৫টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

সোমবার নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত দু’দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে এসব কথা জানান তিনি।

সিইসি বলেন, 'ইভিএম নিয়ে কমিশন এখন প্রস্তুতিমূলক অবস্থানে রয়েছে। আইন পাস হলে সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।' তবে তা ২৫টি আসনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি। 

শুরুর দিকে ইভিএম-এ ভুলত্রুটি থাকলেও এখন উন্নত প্রযুক্তি আনা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন,  'ইভিএম-এর ব্যবহার সর্বসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিটি জেলায় ইভিএম মেলার আয়োজন করা হবে। সেখানে ত্রুটি থাকলে অবশ্যই সেটা ব্যবহার করা হবে না।'

কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘ইভিএম কেনার কোন তহবিল নির্বাচন কমিশনের কাছে আসবে না। এটি অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সরকার দেখবে।’

ইভিএমের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমান নিয়মে নির্বাচন করতে হলে সুঁই, সুতা, মোমবাতি থেকে শুরু করে হাজার রকমের জিনিসপত্র লাগে। প্রযুক্তির ব্যবহার করা হলে এ সবের দরকার হবে না। ক্রমান্বয়ে নির্বাচনী ব্যয়ও কমে আসবে। এই কারণে নির্বাচন কমিশন মনে করেছে, ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে। আর ইভিএমের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব হবে।'

সিইসি বলেন, 'রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলে ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা বা জানার আগ্রহ থাকতে পারে। কারণ, আমরা এটির ব্যবহার, উপকারিতা সম্পর্কে এখনও তাদের জানাতে পারিনি।' পর্যায়ক্রমে তারা সব জানতে পারবেন বলেও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এদিকে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে, এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয় কাজ করবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।  সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নকল নবীশদের নতুন বিধিমালা ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।