DBC News
'কিং অফ পপ' মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন

'কিং অফ পপ' মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন

'কিং অফ পপ' মাইকেল জ্যাকসনের ৬০তম জন্মবার্ষিকী আজ। আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা আর নাচ ও গানের অসাধারণ শৈলীতে ৮০'র দশকে শাসন করেছেন পপ সম্রাজ্য। জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছানো এই শিল্পী আজও বেঁচে আছেন ভক্তদের হৃদয়ে। 

১৯৫৮ সালের এই দিনে গ্যারি ইন্ডিয়ানায় জন্মগ্রহণ করেন মাইকেল জোসেফ জ্যাকসন। মাত্র ৫ বছর বয়সে ১৯৬৩ সালে পেশাদার সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ৮০'র দশকে সঙ্গীতশিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছান মাইকেল জ্যাকসন। তার নাচের কৌশল এবং সঙ্গীত জয় করে নেয় কোটি কোটি শ্রোতার হৃদয়। বিট ইট, থ্রীলার, বিলী জিন, ডেঞ্জারাস, ইন দ্য ক্লোসেটসহ পপ সম্রাটের অসংখ্য গান আজও মুগ্ধ করে সঙ্গীতপ্রেমীদের। 

সংগীত, নৃত্য ও ফ্যাশন জগতসহ ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বৈশ্বিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন মাইকেল জ্যাকসন।

সমাজ সেবায় উদ্বুদ্ধ মাইকেল শিশুদের সাহায্যার্থে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘হিল দ্য ওয়ার্ল্ড'। তাঁর জীবদ্দশায় প্রায় ৩০ কোটি ডলার দান করেছেন ৩৯টি সাহায্য সংস্থার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে৷ সংগীত জীবনে পেয়েছেন আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা ও সাফল্য৷ বিশ্বব্যাপী ৭৫ কোটিরও বেশি অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে তাঁর৷ ১৩ বার গ্র্যমিসহ সংগীত জগতের প্রায় সব ধরণের পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। 

২০০৯ সালের ২৫শে জুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৫০ বছর বয়সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসন। এরপর থেকে প্রতি বছর আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে সপ্তাহধরে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জ্যাকসনের জন্মদিনের উৎসব উদযাপন করা হয়।এবারও নানা আয়োজনে প্রিয় তারকাকে স্মরণ করছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মাইকেল ভক্তরা। এবারও নানা আয়োজনে প্রিয় তারকাকে স্মরণ করছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অগণিত ভক্ত।

১৯৭১ সাল থেকে মাইকেল একক শিল্পী হিসেবে গান গাইতে শুরু করেন। মাইকেলের গাওয়া পাঁচটি সংগীত অ্যালবাম বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রীত রেকর্ডের মধ্যে রয়েছে- অফ দ্য ওয়াল (১৯৭৯), থ্রিলার (১৯৮২), ব্যাড (১৯৮৭), ডেঞ্জারাস (১৯৯১) ও হিস্টরি (১৯৯৫)।

মাইকেলকে পপ সঙ্গীতের রাজা বলা হয়। মার্কিন সঙ্গীতের ইতিহাসে জনপ্রিয়তার হিসাব-নিকাশ অনেকটাই বদলে  দিয়েছেন মাইকেল জ্যাকসন, গড়েছেন নিত্যনতুন সব গানের রেকর্ড।

২০০৯ সালের ২৫শে জুন মারা যাওয়ার পর সে বছর সর্বাধিক বিক্রিত অ্যালবামের শিল্পী হিসেবে অাবির্ভূত হন জ্যাকসন। মৃত্যুর এক বছরের মাথায় কেবল আমেরিকাতেই তার অ্যালবাম বিক্রি হয় ৮.২ মিলিয়ন কপি। আর বিশ্বজুড়ে বিক্রি হয় ৩৫ মিলিয়ন। মৃত্যুর পর গান ডাউনলোডের ইতিহাসেও রেকর্ড গড়েন এই পপ সম্রাট।

মাইকেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয় তারই ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. কনরাড মারেকে। অার এই কারণে তার চার বছরের কারাদণ্ড হয়।