DBC News
রোহিঙ্গা নিধনে বিচার চায় যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা নিধনে বিচার চায় যুক্তরাষ্ট্র

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নিধন ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সোচ্চার থাকবে। রোহিঙ্গা নির্যাতন ও উচ্ছেদের বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শনিবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

টুইটারে দেয়া বিবৃতিতে রোহিঙ্গা নির্যাতনকে ঘৃণ্য জাতিগত নিধন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যারা দায়ী যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই তাদেরকে দোষী হিসেবে গণ্য করবে। তিনি আরো বলেন, এক বছর আগে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর ওপর ঘৃণ্য জাতিগত নিধন চালায়। দেশটিতে গণতন্ত্রের সুফল পেতে হলে সেনাবাহিনীকে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।

গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারে সেনবাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

এদিকে, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা প্রতি দুই রোহিঙ্গা শিশুর মধ্যে একজন মা অথবা বাবাকে হারিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় ছয় হাজারের বেশি বাবা-মা হারানো রোহিঙ্গা শিশু কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বসবাস করছে। এসব শিশু খাদ্যের অভাব, শোষণ ও নির্যাতনের ঝুঁকিতে রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বেশির ভাগ শিশুই মিয়ানমারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে মা-বাবা বা অভিভাবককে হারিয়েছে।

অভিভাবকহীন ১৩৯টি রোহিঙ্গা শিশুকে নিয়ে এই গবেষণা করা হয়েছে। মিয়ানমারে সংঘটিত এসব নিষ্ঠুর ও পরিকল্পিত হামলার সঙ্গে জড়িতদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন অনুযায়ী শাস্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন।