DBC News
কোরবানিতে খামারের গরুর দিকেই ঝোঁক বেশি নগরবাসীর

কোরবানিতে খামারের গরুর দিকেই ঝোঁক বেশি নগরবাসীর

রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাটগুলো এখনো জমে না উঠলেও বেশ বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন খামারে পালন করা পশু। দালালদের দৌরাত্ম্য ও পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি কম থাকায় ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে খামারগুলো। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবারো কোরবানিকে কেন্দ্র করে খামার ও বাজার মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার পশু কেনাবেচার সম্ভাবনা দেখছেন তারা। এদিকে, হাটগুলোতেও চাহিদা বেড়েছে খামার থেকে আসা কোরবানির পশুর। 

কোরবানীকে সামনে রেখে রাজধানীসহ বিভিন্ন খামারে পাওয়া যাচ্ছে দেশি বিদেশি নানা প্রজাতির পশু। আর প্রতিদিনই এসব খামারে পশু কিনতে ভিড় করছেন নগরবাসী। কয়েকজন ক্রেতা জানান, বাজারের ঝামেলা এড়াতেই খামারের দিকে ঝুঁকছেন তারা। এছাড়া হাটের গরুর চেয়ে খামারের গরুর মান অনেক ভালো। হাটে অনেক ঝামেলা থাকে, কিন্তু এখানে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই গরু দেখা ও কেনাবেচা করা যায়। এছাড়া বাসায় গিয়ে গরু দিয়ে আসার সুবিধাও আছে।

গরু, ছাগলের পাশাপাশি খামারগুলোতে এবারো মিলছে উট ও দুম্বা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গতবারের মতো এবারও কয়েক হাজার কোটি টাকার পশু কেনাবেচা হবে সারা দেশে।

তারা জানায়, শুধু গরু বিক্রি হয় পাঁচ থেকে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার, এছাড়া ছাগল, উট ও দুম্বা বিক্রি হয় আরো চার থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার। আনুমানিক নয় থেকে দশ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় কোরবানিতে।

এদিকে, রাজধানীর বেশীর ভাগ হাটগুলোতেও পাওয়া যাচ্ছে খামারের পশু। ব্যাপারীরাও বলছেন, খামারের পশুর চাহিদা বেশি। 

তবে, ভারতীয় গরু না আসায় দাম একটু বেশি বলেই মন্তব্য ক্রেতাদের। তাদের দাবি, যে গরু চল্লিশ পঞ্চাশ হাজার টাকা হওয়ার কথা সেগুলো সত্তর আশি হাজার টাকায় বিক্রির জন্য চাওয়া হচ্ছে। 
 
দুই একদিনের মধ্যেই বাজার জমবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।