DBC News
পুঁজিবাজারে কমছে বিদেশি বিনিয়োগ

পুঁজিবাজারে কমছে বিদেশি বিনিয়োগ

পুঁজিবাজারে ধারাবাহিকভাবে কমছে বিদেশি বিনিয়োগ। নির্বাচনী বছরের অনিশ্চয়তা ও ডলারের দাম বেড়ে যাওয়াকেই এর কারণ বলেছেন বিশ্লেষকরা। এতে বড় কিছু কোম্পানির দামি শেয়ারের দরপতন হলেও মূল বাজারে তেমন প্রভাব পড়বে না। অন্যদিকে ৫ বছর ধরে লভ্যাংশ দিচ্ছে না এমন ১৫টি কোম্পানিকে শোকজ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। তালিকাচ্যুতও হতে পারে এসব কোম্পানি। 

পুঁজিবাজারে গেল জুলাইয়ে বিদেশি পোর্টফোলিওতে শেয়ার বিক্রি হয়েছে ৪৪৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকার। বিপরীতে শেয়ার কেনা হয়েছে ৪১২ কোটি ৪ লাখ টাকার। এই হিসাবে নিট বিনিয়োগ কমেছে ৩২ কোটি ৭১ লাখ টাকা। 

সব মিলিয়ে গেল ৪ মাসে বিদেশিরা পোর্টফোলিও থেকে ৫৪৬ কোটি ৪৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা প্রত্যাহার করেছে। সবসময়ই জাতীয় নির্বাচনের আগে পুঁজিবাজার থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় বিদেশিরা। 

ব্র্যাক ইপিএলের প্রধান নির্বাহী শেরিফ এম এ রহমান বলেন, 'এবার বিদেশী বায়াররা সাইডলাইনে আছে। তবে আমাদের বিক্রি গতানুগতিক ছিল। আর বায়াররা রক্ষণশীল হওয়ার কারণে অনেকগুলো শেয়ার আমাদের বিক্রি করতে হয়েছে। এসব শেয়ার বিক্রি করার কারণে বাজারে শেয়ারের দরপতন ঘটেছে।'

এদিকে ৫ বছর ধরে লভ্যাংশ দিচ্ছে না এমন দুর্বল ১৫টি কোম্পানিকে কারণ দর্শাতে বলেছে ঢাকা স্টক। এসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগে এখন থেকেই সর্তক হওয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

ডিএসই ব্রোকার অ্যাসোসিয়েশানের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ সাদেক জানান, 'আমরা ৩০টা কোম্পানীর তালিকা করেছি, যারা বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। সেখান থেকে ১৩ টা কোম্পানীকে আমরা চিঠি দিয়েছি তাদের সম্পর্কে আমাদের জানাতে। কিন্তু আমরা জানি কিছু কোম্পানী জবাব দিবে, কিন্তু কিছু দেবে না। তাদের কোন অস্তিত্ব নেই।'

এমন আরও ১৭ কোম্পানি ডিএসই'র নজরদারিতে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদেরও শোকজ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।