DBC News
খোঁজ মিলছে না ওটিসি মার্কেটের ১১ কোম্পানির

খোঁজ মিলছে না ওটিসি মার্কেটের ১১ কোম্পানির

ঢাকার পুঁজিবাজারের ওয়েবসাইটে থাকা ঠিকানায় খোঁজ মিলছে না ওটিসি মার্কেটের ১১টি কোম্পানির। বিনিয়োগকারীদের বিপুল অর্থ এসব কোম্পানির শেয়ারে আটকে গেলেও স্পন্সরদের বিরুদ্ধে মামলার এখতিয়ার নেই ডিএসই'র। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন- অর্থ আদায়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরাই।   

পুঁজিবাজারের মধ্যেই রয়েছে আরেকটি বাজার। একে বলা হয় ওভার দ্যা কাউন্টার বা ওটিসি মার্কেট। মূল বাজারে থাকা কোনো কোম্পানি দেউলিয়া বা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে তাকে শাস্তি দিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয় ওটিসিতে।

ওটিসিতে কোম্পানির সংখ্যা এখন ৬৫। এগুলোর মধ্যে একেবারে লাপাত্তা হয়ে গেছে ১১টি কোম্পানি। এদের ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছে না খোদ স্টক এক্সচেঞ্জই।

ওটিসির যে ১১টি কোম্পানির খোঁজ নেই, সেগুলো হচ্ছে; বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিসিটি মিটার, চিক টেক্স লিমিটেড, রাসপিট ডাটা, রাসপিট ইনকরপোরেশন, এম হোসেন গার্মেন্টস, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, আমাম সি ফুড, জার্মান বাংলা ফুড, মেটালেক্স কর্পোরেশন,
রাঙামাটি ফুড প্রডাক্টস ও সালেহ কার্পেট।
 
ডিএসই'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজেদুর রহমান বলেন, এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের চার কোটি ৮৭ লাখ শেয়ার রয়েছে, আনুমানিক যার বাজারমূল্য ৪০০ কোটি টাকার বেশি।

বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এসব কোম্পানির বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন শেয়ারহোল্ডাররাই।

গেল অর্থবছরে ওটিসির ৬৫টি কোম্পানির মধ্যে ৩০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে।  যার বাজার মূল্য ৭৯ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।