DBC News
৩ রানের জয়ে সিরিজে ফিরলো উইন্ডিজ

৩ রানের জয়ে সিরিজে ফিরলো উইন্ডিজ

গায়ানায় দ্বিতীয় ম্যাচ তিন রানে জিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সমতা এনেছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগে ব্যাট করে শিমরান হেটমায়ারের সেঞ্চুরিতে ৪৯ ওভার ৩ বলে ২৭১ রানে অল আউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমে নিজেদের পাল্লার ৫০ ওভারে ২৬৮ রান করতে পেরেছে বাংলাদেশ।

৫৪ বলে পাক্কা ৫০, ব্যাক টু ব্যাক হাফ সেঞ্চুরি, শিমরান হেটমায়ারের ব্যাটিং দেখে কে বলবে, ৭৭ রানে লুইস, গেইল আর হোপের উইকেট হারিয়ে হোপলেস ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

মাঠের চারপাশে হেটমায়ারের ন্যাচারাল স্টোক প্লে। ইউকেটে তাকে দারুণ সাপোর্ট দেন রোভম্যান পাওয়েল। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ্তাদের যোগান ১১০ বলে ১০৩। বড় রানের পথে উইন্ডিজ।

পাওয়েলকে ৪৪ রানে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু এনে দেন রুবেল হোসেন। ৩৭ রানের ব্যবধানে আরও চার উইকেট হারিয়ে আবারও ধাক্কা খেয়েছে দ্য ক্যারিবিয়ানস। তবে সেটা একদম গায়ে লাগতে দেননি হেটমায়ার।

ক্যারিবিয়ান পাইরেটের মতই টাইগার বোলারদের ওপর চড়াও হয়েছেন। নিজেদের ঘরে সব চেয়ে কম বয়সে গড়েছেন সেঞ্চুরির রেকর্ড। ৮৪ বলে ১০০, ব্রায়ান লারার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে কোন ক্যারিবিয়ান ব্যাটারের দ্রুততম শতক, হেটমায়ারের ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়।

শেষ উইকেট জুটিতে আলজারি জোসেপকে নিয়ে ১৪ বলে স্কোরবোর্ডে জমা করেছেন আরও ২৯। ৯৩ বলে হেটমায়ার করেন ১২৫। উইন্ডিজের পুঁজি ২৭১।

বড় টার্গেট, বিজয়ের ব্যাটে বারুদ ৯ বলে ২৩। তবে ইনিংসটা টানতে পারেননি এনামুল হক বিজয়। ৩২ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তিনে নেমে তামিমে সঙ্গে জোট গড়েন সাকিব। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। ২৮ বলে পঞ্চাশ। পাওয়ার প্লেতে টাইগার বোর্ডে জমা ১ উইকেটে ৭৯।

গেল ম্যাচে ঠিক যেখানে শেষ করেছিলেন, আবারও সেখান থেকেই শুরু করেছেন তামিম -সাকিব। দু জনেই হাফ সেঞ্চুরি হাকিয়েছেন, মাথা গরম করে ক্যারিবিয়ান স্পিনারদের পাতা ফাঁদে উইকেট দিয়েছেন। টাইগারদের রানরেট নামিয়ে ম্যাচের কন্ট্রোল নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বেকায়দায় মাথা ঠান্ডা রেখে আগে বেড়েছেন মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ, বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ পার্টনারশিপে জমা হয়ে ৮৭ রান। ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ।

এরপর রান আউটে কাটা পড়েন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, তবে মুশফিকের ব্যাটে জয় দেখছিলো টিম টাইগারস। হাতে ছয় উইকেট, সিরিজ জিততে টাইগারদের দরকার সাত বলে আট। পর পর দুই ফুল টসে উইকেট আউট হয়ে ফেরেন সাব্বির আর মুশি। তীরে এসে তরী ডোবানোর পুরনো রোগ ধরে রাখলো বাংলাদেশ।