DBC News
প্রথম ওয়ানডে জিতে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ

প্রথম ওয়ানডে জিতে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ

গায়ানায় ৩ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে জিতে সিরিজে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবালের দশ নাম্বার ওয়ানডে সেঞ্চুরি আর সাকিবের ৯৭ রানের ইনিংসে উইন্ডিজের বিপক্ষে রেকর্ড ২৮০ রানের টার্গেট সেট করে টিম টাইগার্স। জবার দিতে নেমে মাশরাফির বোলিংয়ের কোন জবাব খুঁজে পায়নি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। নিজেদের পাল্লার ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে তুলতে পেরেছে ২৩১ রান। ৯ বছর পর ক্যারিবিয়ানে ম্যাচ জিতলো বাংলাদেশ।  

গায়ানায় স্পোর্টিং উইকেটে টস জিতে মাশরাফির সিদ্ধান্ত আগে ব্যাট করার। গোল্লা মেরে পাওয়া সুযোগটাকে আরও একবার জলে ফেলেছেন এনামুল বিজয়। ক্যারিবিয়ানদের পয়লা ব্রেক থ্রুটা দিয়েছেন জেসন হোল্ডার।

শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে তিনে নেমেছেন সাকিব। এর পর গায়ানায় নামে বৃষ্টি। ক্যারিবিয়ান পেসারদের প্রাণ দিয়েছে মিনিট বিশেকের বর্ষণ। উইকেটে খাবি খেয়েছেন তামিম-সাকিব। পাওয়ার প্লের দশ ওভারে টাইগার বোর্ডে জমা পড়ে ৩১ রান।

বেলা বেড়েছে, গায়ানার আকাশে রোদ ফুটেছে। রোদের সঙ্গে পাল্লা দিয়েছে হেসেছে তামিম-সাকিবের ব্যাট। দ্বিতীয় উইকেটে ওরা গড়েছে রেকর্ড পার্টনারশিপ। পিছনে পড়েছে আট বছর আগে ডাম্বুলায় ইমরুল-জুনায়েদের ১৬০ রানের পার্টনারশিপ।

তিন রানের জন্য সেঞ্চুরিটা মিস করেছেন সাকিব। মিস করেছেন রিয়াদের সঙ্গে নিজের গড়া ওয়ানডেতে টাইগারদের সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ ভাঙার মওকা। তবে ২০৭ রানে জোটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সব চেয়ে বড় রানের রেকর্ড ঠিকই গড়েছেন সাকিব-তামিম।

সাকিবের লাইনে হাটেননি তামিম। ঠিকই তুলে নিয়েছেন দশ নাম্বার ওয়ানডে শতক। ১৪৬ বলে ১০০। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সব চেয়ে মন্থর সেঞ্চুরির রেকর্ড।

আম্পায়ারের ভুলে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন সাব্বির। ফিরেছে টাইগারদের হুঁশ। ক্যারিবিয়ান দ্বীপে মুশফিক ঝড়। ১১ বলে সাবেক কাপ্তানের ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংস। মুশফিকের দেখাদেখি হাত খুলে খেলেছেন তামিমও। এই দুজনের জুটিতে ২০ বলে যোগ হয়েছে ৫৪ রান। একশো তিরিশ রান করে অপরাজিত থাকেন তামিম ইকবাল। সবশেষে টাইগারদের স্কোর বোর্ডে জমা হয় ২৭৯ রান।

জবাব দিতে নেনে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি উইন্ডিজ টপ অর্ডার। ৮১ রানে লুইস, হোপ আর বিগম্যান গেইলের উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় পড়ে স্বাগতিক দল। টাগারদের হাতে আসে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ।

জেসন মোহামেদ আর উইন্ডিজ কাপ্তান জেসন হোল্ডারের সঙ্গে দু'টি তিরিশ রানের পার্টনারশিপ দিয়েছেন শিমরান হেটমায়ার। তবে ৫২  রানেই থেমে যান হেটমায়ার। কাটা পড়েছেন মুস্তাফিজের কাটারে। পরের বলে পাওয়েলকেও তুলে নেন ফিজ।

গায়ানায় সিরিজের প্রথম ওডিআইতে উইকেটে শিকারের উদ্বোধন করেছিলেন মাশরাফি। আর আন্দ্রে রাসেল এবং অ্যাশলি নার্সেকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে শেষও করেছেন টাইগার ক্যাপ্টেইন। ৩৭ রান খরচায় পুরা করেছেন উইকেটের হালি।

তবে শেষ উইকেট জুটিতে বিশুন-জোসেপের ৫৯ রানের পার্টনারশিপে ম্যাচ হারের ফারাক ৪৮ এ নামিয়ে আনতে পেরেছে ক্যারিবিয়ানরা।