DBC News
'ব্যাংকিং খাতে সংস্কার জরুরি'

'ব্যাংকিং খাতে সংস্কার জরুরি'

ব্যাংকিংখাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও ক্ষমতা দেয়া দরকার বলে মনে করেন, পরিকল্পনামন্ত্রী। অন্যদিকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট কর পুনঃবিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীও। সিপিডির বাজেট সংলাপে এসব কথা বলেন তারা। 

সামগ্রিক বাজেটে ভীষণ চাপে পড়বে মধ্যবিত্তরা, সেই সঙ্গে রাজস্ব ঘাটতিতে পড়বে সরকার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর অায়োজিত সংলাপে এমন বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সিপিডি। 

রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে নিজেদের বাজেট বিশ্লেষণ তুলে ধরেন, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার মিল নেই। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ না বাড়ানোর সমালোচনাও করেছে সিপিডি।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসুচির আওতা বাড়লেও, তা অপ্রতুল বলে মনে করে সংস্থাটি। সিপিডির বিশ্লেষণ বলছে, বিনিয়োগ, রপ্তানি, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে, যার ফলে জিডিপির প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি নিয়েও সন্দিহান সংস্থাটি।

প্রস্তাবিত কর কাঠামোর বিশ্লেষণে, সারচার্জ এবং চাল আমদানিতে শুল্ক আরোপকে স্বাগত জানিয়েছে সিপিডি। সংস্থাটির মনে করছে, বিনিয়োগ বাড়াতে নয়, বরং চাপের কারণেই ব্যাংকখাতের কর্পোরেট কর কমিয়েছেন, অর্থমন্ত্রী। যার ফলে, ১ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে সরকার।

অন্যদিকে, করমুক্ত আয়সীমা না বাড়ানো, ছোট ফ্লাটের ভ্যাট বৃদ্ধি, দেশীয় ব্র্যান্ডেড পোশাকে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাবকে পুনঃবিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সিপিডি।