DBC News
বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০০ কোটি ডলার রপ্তানি

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০০ কোটি ডলার রপ্তানি

বইছে বিশ্বকাপ ফুটবলের হাওয়া। যে হাওয়ায় ডানা মেলেছে ব্রাজিল আর্জেন্টিনা আর জার্মানিসহ সব দেশের পতাকা। যার রঙে আকাশ হয়ে উঠেছে রঙিন।

পতাকার এই রঙ যোজন মাইল দূরের দেশ রাশিয়ার মস্কোতে পৌঁছে দিতে চায় এদেশের ভক্তরা। যেখানে ১৪ই জুন ৩২ টি দেশ নিয়ে শুরু হবে বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ।

বিশ্বকাপের লড়াইয়ে বাংলাদেশ নেই, তার পরেও যেনো জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজের দেশটির তৈরি জার্সি থাকবে বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়দের গায়ে। জার্সিতেই শেষ নয়, গেঞ্জি, হাফপ্যান্টসহ নানা ধরনের পণ্য তৈরি করে সরবরাহ করছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক সংস্থা ফিফার কার্যাদেশের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান ব্র্যান্ড এসব পণ্য আমদানি করছে। যার মাধ্যমে গতিশীল হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। 

পোশাক শিল্প মালিক সমিতি বিকেএমইএর তথ্য মতে, এবার বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের জার্সি ও খেলার কিট রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে যা ছিল প্রায় ৭০ কোটি ডলার। একে দেশের জন্য গৌরবের বলছেন রপ্তানিকারকরা।

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে এ বছর বাংলাদেশ থেকে পোশাক রপ্তানি আগেরবারের তুলনায় ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরেই নয়, অন্য সময়ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে। এবার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে খেলোয়াড়দের জার্সি, গেঞ্জি, হাফপ্যান্ট, শীতের পোশাক, ট্রাউজার, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জাতীয় পতাকা ইত্যাদি। এগুলোর বেশিরভাগই ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, ইতালি, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল রপ্তানি হয়।

ফিফা রেঙ্কিং এ ১৯৭ তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের খেলার সুযোগ না মিললেও বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে জাতীয় ও বিশ্বকাপের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে বাংলাদেশ।