DBC News
'রোহিঙ্গাদের জন্য ৪'শ কোটি টাকার তহবিল'

'রোহিঙ্গাদের জন্য ৪'শ কোটি টাকার তহবিল'

বাজেট প্রস্তাবে ঘোষণা না থাকলেও, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রোহিঙ্গাদের জন্য ৪'শ কোটি টাকা সংরক্ষিত তহবিল রাখার কথা আবারো বললেন অর্থমন্ত্রী। শুক্রবার বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

নির্বাচনী বছর ও আকারে বিশাল হলেও প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য বলে আস্থা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

একই অনুষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, অনলাইন পণ্য কেনাবেচায় ভ্যাট থাকছে না। বাজেট বক্তৃতায় ভুল করে তা ছাপা হয়েছে।

গেল ৮ মাস ধরে রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য আশ্রয় চিকিৎসা সবই দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। তবে এ বাবদ খরচ হওয়া অর্থের পুরোটাই এসেছে আন্তর্জাতিক সহায়তা থেকে। তারপরও আগামী অর্থবছর শরণার্থীদের জন্য তহবিল বরাদ্দ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

সংবাদ সম্মেলনে বেশির ভাগ প্রশ্ন ছিলো, কর্পোরেট কর না কমানো আর ব্যক্তি আয়ের করমুক্ত সীমা না বাড়ানো নিয়ে। তবে বৈশ্বিক উদাহরণ দিয়ে নিজের যুক্তিতে বহাল থেকেছেন অর্থমন্ত্রী। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, হচ্ছে না ব্যাংক কমিশন। তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে বিবেচনা করা হবে সঞ্চয়পত্রের সুদ হার।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে, দেশীয় প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইন কেনা-বেচায় কোন ভ্যাট আরোপ করা হয়নি বলে জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তবে গতকাল অনলাইন কেনা-বেচায় ভ্যাট আরোপ করা নিয়ে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা বাজেট বাজেট বক্তৃতায় ভুল করে তা ছাপা হয়েছে।
 
এর আগে, বাজেট বক্তব্যে যে কোন অনলাইন ভিত্তিক পণ্য কেনা-বেচায় ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের কথা জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী।

তবে, বাজেটে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগলের মত ভার্চূয়াল প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে বলেও জানান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান। 

এই বাজেটে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বাড়বে কি না এই প্রশ্নে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন এই বাজেটে বৈষম্যের হার বাড়বেনা।

ব্যাংকিং সেক্টরকে সুবিধা দেয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে, সুদের হার এক অংকে নামিয়ে আনতেই ব্যাংকিং খাতকে সুবিধা দেয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

ঋণ পরিশোধে সরকার কখনো ব্যর্থ হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জানান, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কখনও  বাংলাদেশ ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি বরং সময়মতো ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ কখনো ঋণ খেলাপি হয়নি বলেও জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, কৃষকের জন্য কৃষি ঋণ এবং এসএমই ঋণ এসব কিছুই করা হয়েছে দেশের উন্নয়ম ও বৈষম্য কমানোর জন্য।

বর্তমানে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে জানিয়ে জ্বালানী উপদেষ্টা বলেন, 'জ্বালানীর চেয়ে বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় বৃদ্ধি স্বাভাবিক।'

আগামী ২৮শে জুন অর্থবিল পাশের মাধ্যমে চুড়ান্ত হবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট।

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি শ্রমিক আটক

মালয়েশিয়ার সাইবারজায়া শহরে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৫ বাংলাদেশীসহ ৩৩৮ জন বিদেশী শ্রমিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন কর্মকর্তা।দেশটির অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তা...

নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমের আশঙ্কা পুলিশের

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। আজ শনিবার সকালে ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শ...

'জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই সরকারের পতন হবে'

পয়লা অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী সভা-সমাবেশ শুরু করবে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। রাজধানীতে ঐক্য প্রক্রিয়ার আয়োজনে নাগরিক সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা আসে। সমাবেশে বিএনপি গণফোরাম,...

'আওয়ামী লীগ ছাড়া জাতীয় ঐক্য নয়'

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো জাতীয় ঐক্য হতে পারেনা। বিএনপি নেতৃত্ব দিলে তথাকথিত জাতীয় ঐক্য হবে-এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্প...