DBC News
দুই বছরেও দেয়া হয়নি মিতু হত্যার চার্জশিট

দুই বছরেও দেয়া হয়নি মিতু হত্যার চার্জশিট

চট্টগ্রামে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যা মামলা থমকে আছে শুধু মুছা ইস্যুতেই। মুছা জীবিত কি না এই প্রশ্নের মিমাংসাই করতে পারছে না পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিতে পারেনি পুলিশ। কার নির্দেশে এবং কি কারণে বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করা হয়, তা আজও রহস্যই হয়ে আছে।

মামলার আসামিরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে বাবুলের সোর্স মুছার নাম বলে। তাকে এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা দাবি করা হলেও, মুছাকে এখনও ধরতে পারেনি পুলিশ। তবে মুছার স্ত্রী পান্না আক্তারের দাবি, ঘটনার পর ২০১৬ সালের ২২শে জুন সকাল ৭টায় তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ।

তবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত উপ কমিশনার ও চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই অভিযোগপত্র দেয়া হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে মিতু হত্যাকান্ডে তার স্বামী বাবুল আক্তারের কোন সম্পৃক্ততা আছে কি না এমন প্রশ্নে ওই কর্মকর্তা বলেন, 'তদন্তাধীন বিষয়ে কোন মন্তব্য করা যাবে না।' তবে মিতুর বাবা মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন দাবি করেন, বাবুল আক্তারের পরিকল্পনা ও নির্দেশেই তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ৫ই জুন, ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে খুন হন জঙ্গি বিরোধী নানা অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া বাবুল আক্তারের স্ত্রী। এ সময় দুর্বৃত্তরা মিতুকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করে।

এর আগে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকার পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দেন চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার বাবুল আক্তার। তিনি চট্টগ্রাম ছাড়ার কয়েকদিনের মধ্যেই খুন হন মিতু।

মিতু হত্যাকান্ডের পর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন বাবুল আক্তার।

জঙ্গিদমন অভিযানের কারণে বাবুলের স্ত্রী খুন হয়েছে বলে প্রথম দিকে সন্দেহ করা হলেও পরে বাবুলের আক্তারের নামে নানা অভিযোগ আসার পর ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়।

এ হত্যাকান্ড নিয়ে নানা ঘটনার তিন মাস পর চাকরি ছেড়ে দেন বাবুল আক্তার। বাবুল আক্তার বরাবরই তার স্ত্রী মিতুর হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

মিতুর হত্যাকান্ডের পর ২৪শে জুন ঢাকার বনশ্রীর শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসা করা হয়। এরপর ২৬শে জুন মো.আনোয়ার ও মোতালেব মিয়া নামে ওরফে ওয়াসিম নামে দু'জন কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আনোয়ারের ও ওয়াসিমের আদালতে দেয়া জবানবন্দি কথা উল্লেখ করে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুছার পরিকল্পনাতেই এ হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়।

আরও পড়ুন

'বড় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে দুদক প্রশ্নবিদ্ধ হবে'

বড় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে দুর্নীতি দমন কমিশন, দুদকের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মনে করেন আইনজীবীরা। দুদকের তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানোর দাবিও তা...

ডেঙ্গুর ব্যাপারে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ

আতঙ্কিত না হয়ে নগরবাসীকে ডেঙ্গুর ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। আর ডেঙ্গু নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধ...

শিশুকে হাসপাতাল রেখে নিরুদ্দেশ মা

সাভারের গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে সাত মাসের অসুস্থ শিশুকে রেখে নিরুদ্দেশ মা। ২৫শে জুন ঠাণ্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত সাত মাস বয়সী মেয়ে জিমকে সাভারের গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল...

মাদ্রাসা ছাত্রী হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী দিপ্তীর হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাজ্জাদ হোসেনেকে গ্রেপ্তার করেছেন মাদারীপুর র‌্যাব-৮। সাজ্জাদ হোসেনের স্বীকারোক্তির কথা উল্লেখ...

নুসরাত হত্যা: ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষকসহ চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ আজ। অন্যদিকে,মাদ্রাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ...

নুসরাত হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।  এখন সাক্ষ্য দিচ্ছেন ১৪ নম্বর সাক্ষী কাউন্সিলর শেখ আব্দুল হামিদ।  এরপর সাক্ষ্য দিবেন ১৫ নম...