DBC News
ট্রাম্প-কিম বৈঠক ১২ জুন

ট্রাম্প-কিম বৈঠক ১২ জুন

সিঙ্গাপুরে ১২ জুনই হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক বৈঠক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউজে উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাৎ শেষে এ কথা জানান তিনি।

এরআগে, কিম জং উনের দেয়া চিঠি নিয়ে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাৎ করেন দেশটির দূত জেনারেল কিম চোল। বৈঠক শেষে ট্রাম্প জানান, কিমের চিঠিটি বেশ আকর্ষর্ণীয় ছিল। এরমধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা করার বেশ কয়েকটি বিষয়ও রয়েছে।

এদিকে, নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং উত্তর কোরীয় শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা কিম ইয়ং চোল। ২০০০ সালের পর দুই দশকের মধ্যে চোলই হলেন যুক্তরাষ্ট্র সফর করা উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

আসন্ন ট্রাম্প-কিম বৈঠক নিয়ে শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে নিউইয়র্ক আসেন উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান কিম। গত ১৮ বছরের মধ্যে কিম ইয়ং চোলই উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ নেতা যিনি যুক্তরাষ্ট্রে সে দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। 

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানায়, ট্রাম্প-কিম বৈঠকের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে কিম ইয়ং চোল ও পম্পেওয়ের মধ্যে। সম্প্রতি ঐতিহাসিক ওই বৈঠক বাতিল করলেও, সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। এরপরপরই সিঙ্গাপুর ও নিউইয়র্কে মিলিত হলেন দু'দেশের কর্মকর্তারা।  

সপ্তাহখানেক আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে ১২ জুনের শীর্ষ বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন, কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ং পূর্ব নির্ধারিত সময়েই ওই বৈঠক আয়োজনের জন্য নতুন প্রস্তুতি শুরু করে। ওই বৈঠক নিয়ে কথা বলতেই উত্তরের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান চোলের এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বছরের পর বছর ধরে কোরীয় উপদ্বীপে যে উত্তেজনা চলছিল তা শিথিল হয়ে আসে গত এপ্রিলের শেষভাগে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার দুই নেতা কিম ও মুন জে-ইনের মধ্যকার ঐতিহাসিক বৈঠকের পর। এরপর আরও একবার বৈঠক করেন দুই নেতা। তাদের বৈঠকেই কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের বিষয়টি নির্ধারিত হয়।