DBC News
'পাসের হার কমলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই'

'পাসের হার কমলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই'

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এবার যেহেতু পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি, সংখ্যার হিসাবে পাসের হার কিছুটা কম মনে হলেও সেটা খুব হতাশাজনক না, কারণ ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ পাস করা, এটাও কিন্তু কম কথা না।'

রবিবার সকালে, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের অনুলিপি তুলে দেয়ার পর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের হতাশ না হতে আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হও। কারণ তোমরাই তো আগামী দিনে বাংলাদেশের হাল ধরবে। এজন্য তোমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। তারা যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটিই আমরা চাই।

যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তবে যারা পাস করতে পারেনি তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা হতাশ হবে না। আর একটু মনোযোগ দিতে হবে পড়াশোনায়। যাতে ভবিষ্যতে পাস করতে পারো।

এর আগে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও ছিলেন এ অনুষ্ঠানে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। এতে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল হবে। দেশের মুখও উজ্জ্বল হবে।

তিনি বলেন, আর আমরা তো ধীরে ধীরে বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুশিক্ষিত হবে, উচ্চশিক্ষিত হবে। তারা দেশের কর্ণধার হবে। সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।

তারা যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটিই আমরা চাই, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি এবার যেহেতু পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি, হয়তো সংখ্যার হিসাবে কিছুটা আমাদের পাসের হার কম মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে বলব- সেটি খুবই হতাশাজনক না। কারণ ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ পাস করা এটিও কিন্তু কম কথা নয়।

আগামীতে এটি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশা করি। এ জন্য সবাইকে আন্তরিক ও ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।